আমি দশটা নায়িকা এবং দশটা নায়কের নাম জানি যারা সমকামিতায় বিশ্

April 26, 2017, 5:42 p.m. তারকা কথন


বহুদিন ধরেই কিছু হাইভোল্টেজ এবং সত্য বলার সৎসাহসী মিডিয়ার সাথে জড়িত মানুষের সন্ধানে ছিলাম। তালিকায় ছিল বেশ কিছু নাম

বহুদিন ধরেই কিছু হাইভোল্টেজ এবং সত্য বলার সৎসাহসী মিডিয়ার সাথে জড়িত মানুষের সন্ধানে ছিলাম। তালিকায় ছিল বেশ কিছু নাম। কিন্তু শুরুতে কাকে প্রস্তাব দেয়া যায়! সাহস করে এক সন্ধ্যায় সেই মানুষটির মোবাইলে কল দিয়ে জানানো হলো একটা ইন্টারভিউ করতে চাই। পরদিন সিডিউল নিয়ে হাজির তার অফিসে। শুরুতেই জানালাম, কেমন আছেন, কি করছেন, ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? কিভাবে শুরু এসব প্রশ্নে যাবো না। যা কখনো হয়নি এই দেশে, সেটাই করতে চাই। পরিকল্পনা শুনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন যা বলবেন তা প্রকাশ করতে পারবো কিনা! অকপটে জানালাম আপনার সাহসের উপর নির্ভর করবে কি প্রকাশ হবে আর কি হবে না। তিনি কারো কাছে আলোচিত, কারো কাছে সমালোচিত, কারো কাছে মিডিয়া মাফিয়া, কারো কাছে মিডিয়ার হার না মানা সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্রি-ল্যান্স যোদ্ধা তিনি। তিনি আরশাদ আদনান। কারুনিউজ’র পক্ষে আলাপচারিতায় বসলেন বিনোদন প্রধান তির্থক আহসান রুবেল। শুরু হলো প্রশ্নবান এবং পাল্টা জবানের যুদ্ধ।

তির্থক: আপনি গানম্যান নিয়ে ঘুরেন সব সময়। এটা কি আভিজাত্য দেখাতে নাকি লোকজনকে ভয় দেখিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে?

আরশাদ আদনান: প্রভাব, ভয়, আভিজাত্য কোন কিছুই না। সমাজের ডিমান্ড। এখানে আমার অনেক শত্রু আছে। এটা সেলফ সিকিউরিটি জন্য।

05

তির্থক: অনেকে বলে আপনার নাকি মন্ত্রী-মিনিষ্টার লেভেলে অনেক ক্ষমতা! সরকারী মহলের অনেকে নাকি আপনার হাতে, আপনার সাথে!

আরশাদ আদনান: না! মূলত আমার বাবা রাজনীতি করতেন, আমি রাজনীতি করতাম। আমি ঢাকা কলেজ, ঢাকা ইউনিভার্সিটি পেরিয়ে বর্তমানে যুবলীগ দক্ষিণে রাজনীতি করি। এই সার্বিক বিবেচনায় আমার বাবার কিছু সিনিয়র ফ্রেন্ড বা ফ্রেন্ড বা জুনিয়র ফ্রেন্ড তারা আমার চাচা বা আঙ্কেল লাগে। তারা বর্তমানে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অবস্থান করছেন। পারিবারিক সম্পর্ক তাদের সাথে আমার থাকতেই পারে, তাই না! ইটস সো ন্যাচারাল।

তির্থক: শোনা যায় টিভি মিডিয়ার নায়িকারা আপনার সাথে বন্ধুত্ব গড়তে বা পরিচিত হতে পারলেই বাইরের বিভিন্ন ডিরেক্টরের সেটে পেইন দেয়!

আরশাদ আদনান: এটা কি সত্য? নায়িকার পেইন যদি ডিরেক্টর নিতে না পারে, তাহলে ডিরেক্টর হবার মুন্সিয়ানা কোথায়! নায়িকারা পেইন দেবেই। আর সে যদি আমার পরিচিত বা ভাললাগার হয়, তাহলে তো আরেকটু বেশী পেইন দেবে। তা নয় কিরে ভাই!

15

তির্থক: ঈদ বা অন্য কোন উৎসব এলেই শোনা যায় ঢাকায় কোন নায়ক-নায়িকা বা পরিচালক নেই। আপনি বিশাল বহর নিয়ে চলে গেছেন ঢাকার বাইরে…

আরশাদ আদনান: না! এরকম আমি একবারই করেছি। তবে এটা আমি প্রতিবারই করতে চাই। সেবার প্রায় দেড়শ জন আর্টিস্ট, ১৩ জন ডিরেক্টরসহ প্রায় সাড়ে চারশজনের ইউনিট নিয়ে আমি চলে যাই রোজার ঈদের আগে। যাতে বাংলাদেশের আর কোথাও কোন নাটকের সুটিং না হয়। তখন পুবাইল, মানিকগঞ্জ, উত্তরা মানে যেখানে সব সময় কাজ হয়, কোথাও কোন সুটিং হয়নি। আমি একদম প্ল্যানিং করে কাজটা করেছিলাম। আমি তো একটা হাউস থেকে সব লাইট নিতে পারতাম, নেই নাই। ভিন্ন ভিন্ন হাউস থেকে নিয়েছি। যাতে কোন হাউস আর কাউকে লাইট দিতে না পারে। এমনকি প্রেডাকশন বয় কিংবা ম্যানেজার সেটাও আমি বেছে বেছে সেরাদের নিয়ে নিয়েছি, প্রতিটা প্রোডাকশনের জন্য আলাদা। সিডিউল মিলাতে পারিনি বলে আর করা হয় নি পরবর্তীতে। তবে সামনে আরো বড় করে করবো। একসাথে পঁচিশটা প্রোডাকশন করবো।

তির্থক: কারণটা কি?

আরশাদ আদনান: মানুষকে দেখাতে পছন্দ করি।

তির্থক: কিন্তু তাতে তো আরেকজনের কাজে সমস্যা হচ্ছে। সে কাজ করতে পারছে না!

আরশাদ আদনান: আমি খুশি হই তাতে। মার্কেট মনোপলি হোক, এটা আমি চাই।

18

তির্থক: সেই ক্ষেত্রে শিল্পমানের বা ভেরিয়েশনের যে ব্যপারটা থাকে নাটকে…

আরশাদ আদনান: আমি তো শিল্পের জায়গাটাতে হ্যম্পার করছি না! কেউ বলতে পারবে না যে আমার কোন নাটকে আজ পর্যন্ত কোন চ্যানেল এক ইঞ্চি জায়গাতে কেচি চালাতে পেরেছে। আমি চাঙ্কে নাটক চালাই না। আমি বিক্রি করে নাটক চালাই। চাঙ্ক নিয়ে, বিজ্ঞাপন নিয়ে যা তা বানিয়ে দশটা প্রোডাক্ট সেখানে রিপ্লেস করে আরশাদ আদনান নাটক চালায় না। আরশাদ আদনান প্রোডাক্ট বেজড নাটক বানায় না। বিজ্ঞাপনী সংস্থা আরশাদ আদনানকে বানায়নি। আরশাদ আদনান নিজে নিজেকে তৈরি করেছে।

তির্থক: তার মানে আপনি সুযোগ পেলে, একাই থাকতে চান মার্কেটে?

আরশাদ আদনান: অবশ্যই। সুযোগ পেলে সব নাটক আমি একাই বানাবো। আর কাউকে কোন সুযোগ দিতে চাই না।

তির্থক: তাহলে ব্যপারটা কি দাঁড়াচ্ছে! আপনি মাফিয়া না প্রেমি!

আরশাদ আদনান: এটাকে পেশা হিসেবে দেখি না। এটাকে ভালবাসা হিসেবে দেখি। পেশা হিসেবে দেখলে এখানে কাজ করাটা নিতান্তই গাধামী ছাড়া আর কিছুই নয়।

04

তির্থক: ডিরেকশনও তো দিচ্ছেন!

আরশাদ আদনান: আমি ডিরেকশনে আসছি সামনে। মাস দুই আগে এ্যসোসিয়েশনের সদস্য হলাম। ইতিমধ্যে একটা মিউজিক ভিডিওর কাজ করেছি।

তির্থক: প্রডিউসার হিসেবে একসাথে দশটা প্রোডাকশন করতে পারবেন, ডিরেক্টর হিসেবে তো সেটা সম্ভব না।

আরশাদ আদনান: আমি ডিরেকশনটা অন্যভাবে দেই। আমি ডিরেকশন দেই টেবিলে। আমি শট নেই না। আমি আমার মতো। আমি আমার স্টোরিবোর্ড নিজে করি। ফ্রেম আমার, লেন্স আমার। এখন তো আপনারা ডিজিটাল ল্যান্সে কাজ করেন, কতজন থার্টিফাইভ দেখেছেন জানি না। আমি দেখেছি। তখন আমরা ফিতা দিয়ে মেপে স্যুট করতাম। আমি এখনো যখন শর্ট ডিভিশন করি, তখন লেন্স থেকে ক্যারেক্টারের দূরত্ব স্কেল দিয়ে মেপে দেই। আমার ডিওপি যখন কাজের আগে আমার সাথে বসে, তখন আমি প্রতিটি ইঞ্চি, কাটা বা কত ডিগ্রি এ্যঙ্গেলে বসবে ক্যামেরা সেটা কিন্তু আমি করে দেই এবং সে এ্যঙ্গেলে কোন ল্যান্সটা বসবে এবং সেখান থেকে কত দূরে সাবজেক্টটা থাকবে, আর সেই সাবজেক্টের কতটা পাশে প্রপসটা থাকবে সেটাও আমি বলে দেই। আমার কোন আর্ট ডিরেক্টর নেই। আর্ট ডিরেকশনটাও আমি নিজেই দেই।

তির্থক: আজ পর্যন্ত কি পরিমাণ লাভ বা লস হয়েছে অর্থনৈতিকভাবে?

আরশাদ আদনান: আপেক্ষিক। টাকার অঙ্কে আসলে আমি নিজেও জানি না। সপ্তাহ দুই অপেক্ষা করেন, পুরো প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন বছরের অডিট হচ্ছে, সেটা শেষ হলে হিসেবটা দিতে পারবো।

তির্থক: এই যে বিশাল ইনভেস্টমেন্ট…

আরশাদ আদনান: না, ভুল! আমার কোন বিশাল ইনভেস্টমেন্ট নাই।

14

তির্থক: এই যে এত এত নাটক!

আরশাদ আদনান: আমার সব ফ্লোটিং। আমার মুখের কথাতেই কাজ হয়। আমার শুধু সুটিং খরচটা লাগে। আমার ক্যামেরা পেমেন্টও লাগে না, আর্টিস্ট পেমেন্টও লাগে না। আরশাদ আদনান’র নামেই আর্টিস্ট ডেট দেয়, আরশাদ আদনান’র নামেই আর্টিস্ট সুটিং করে। আরশাদ আদনান’র নামে ক্যামেরা হাউস ক্যামেরা দেয়। আরশাদ আদনান সে নাটক বিক্রি করে সবার পেমেন্ট দেয়। আমার কোন টাকা নেই।

তির্থক: আপনি কি ফিল্মিক লাইফ লিড করতে পছন্দ করেন বা প্রভাবিত! অনেকে বলে আপনি নাকি সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন আর্মস বের করে ঠেকাতে!

আরশাদ আদনান: আমি সুটিং’র মানুষ। সুটিং-এ আর্মস তো ধরাই লাগে দৃশ্যের জন্য।

তির্থক: আমি রিয়্যাল লাইফের কথা জানতে চাইছি!

আরশাদ আদনান: দরকার পড়লে কে না ধরে! এছাড়া কি কেউ ধরে!

তির্থক: দু-চারবার কি তাহলে ধরা হয়েছে রিয়্যাল লাইফে?

আরশাদ আদনান: (কিছুক্ষণ সময় নিয়ে) জ্বি হয়েছে! ৯১ সাল থেকে ধরি… ছাত্রজীবন থেকে।

তির্থক: আপনার বেসিক ইনকাম কি এই নাটক-সিনেমাই!

আরশাদ আদনান: না, এটা বেসিক না। আমার একটা কন্সট্রাকশন ফার্ম আছে। আমি রোডস এর কাজ করি, কন্সট্রাকশনের কাজ করি।

19

তির্থক: সে টাকাটাই এই কাজে রিলিফ দিচ্ছে?

আরশাদ আদনান: আসলে আমার কন্সট্রাকশন ফার্ম একটা ওয়েল সেটেল্ড কোম্পানী। আমাদের পারিপার্শিক বা সামাজিক পরিস্থিতির কারণে অথবা আধিপত্যের কারণে… এই সব মিলিয়ে আমার কন্সট্রাকশন ব্যবসাটা ওয়েল সেটেল্ড ব্যবসা। সারা বছর তো কাজ লেগেই থাকে! নেগোমানি বলে একটা কথা আছে, জানেন কি! মিডিয়াতে কাজ করতে গিয়ে অত কিছু চিন্তা করি না, করা যায় না। প্রচন্ড রকম ভাল লাগা থেকেই মিডিয়াতে কাজ করি। যেদিন ভাল লাগা নষ্ট হয়ে যাবে, সেদিন আপনাদের মিডিয়া ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবো।

তির্থক: এই যে আপনাকে নিয়ে নানা রকম গুজব, গুঞ্জন, সমালোচনা, ঘটনা, রটনা… এটাকে কতটা উপভোগ করেন?

আরশাদ আদনান: প্রচন্ড পরিমাণ এনজয় করি। আই লাভ টু হেয়ার দিস সর্ট অফ নিউজ। আমি একটা জিনিস খুব বিশ্বাস করি। সেটা হচ্ছে, আল্লাহর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ, আশরাফুল মাখলুকাত। মানুষের সব রকম অধিকার আছে। আল্লাহই দিয়েছেন। ভাবার অধিবার আছে, চিন্তা করার অধিকার আছে, মেনে নেয়ার অধিকার আছে। তাই আমি মনে করি, যে যা ভেবে, যে যা মনে করে, যে যা মেনে নিয়ে খুশি থাকবে, তাকে সেটাই করতে দেয়া উচিত।

তির্থক: মিডিয়ার প্রডিউসার শুনলেই নাকি সামনে আসে ব্ল্যাকমানি ইস্যু এবং সেক্সচুয়ালিটি। এসবের বাইরে প্রডিউসারদের আর কোন অস্তিত্ব বাইরের লোকদের মাথাতেই আসে না। আপনারা যারা প্রডিউসার তাদের নিয়ে এসব কথা কেন?

আরশাদ আদনান: কারণ বাইরে থেকে কিছু প্রডিউসার আসে, তারা ২/৩ টা নাটক করে বা বাইরে গিয়ে বানায়। তাদের উদ্দেশ্য করেই বলতে চাই, তাদের ব্ল্যাকমানি বা তাদের মহিলাবৃত্তির কারণে এই ধরণের অপবাদ আসে। আমাদের যে নেই তা বলছি না। আমাদেরও আছে। এটা পার্ট অফ ইন্ডাষ্ট্রি।

তির্থক: শুধু এই দেশে না ওয়ার্ল্ডওয়াইড?

আরশাদ আদনান: ওয়ার্ল্ডওয়াইড। সো নো বডি ক্যান নেভার ডিনাই দিস সর্ট অফ ইনভলবমেন্ট উইথ প্রডিউসার এ্যন্ড আর্টিস্ট।

তির্থক: পরিবার কি মিডিয়ায় আপনার এই ইনভল্বমেন্ট পছন্দ করছে?

আরশাদ আদনান: একদমই না। এজন্য ফ্যামিলির বাইরে আছি কিছুদিন। একমাস ধরে অফিসে ঘুমাই।

তির্থক: কিন্তু এর প্রভাব কি ছোটদের উপর পড়বে না!

আরশাদ আদনান: ডেফিনেটলি পড়বে না। কারণ তাদের আমি বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছি পড়াশোনা করতে। আমার দুটো ছেলে তারা সিঙ্গাপুর চলে যাচ্ছে পড়াশোনা করতে। এইত মাস কয়েকের মধ্যে। তাদের আমি দেশে রাখবো না।

03

তির্থক: এটা কি শুধু মিডিয়ার জন্য? নাকি…

আরশাদ আদনান: না, তাদের টোটাল সিকিউরিটির জন্য।

তির্থক: এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি, ইদানিং কি এই সেক্টরে সমকামিতা বেড়েছে?

আরশাদ আদনান: খুব বেশী এন্ট্রি করেছে। সমকামিতা এন্ট্রি করেছে ইয়াবা থেকে। এই ইয়াবার আসক্তি থেকে সমকামিতায় হারিয়ে যাচ্ছে অনেকে।

তির্থক: যেখানে এক সময় বলা হতো যে সুন্দরী নায়িকা বা মডেল প্রডিউসারের দিকে মিষ্টি হাসি দিলে নতুন প্রোডাকশনের প্রস্তুতি বা ঘোষণা আসতো, সেখানে ইদানিং নাকি ফেসবুক-ইউটিউবের কোমল-স্নিগ্ধ ছেলেদের হাসি বেশী কার্যকর?

আরশাদ আদনান: একদমই সত্য। তবে ব্যক্তিভেদে ব্যপারটা আলাদাও আছে। আমি দশটা নায়িকা এবং দশটা নায়কের নাম জানি যারা সমকামিতায় বিশ্বাসী।

তির্থক: বর্তমানে কি কোন নায়িকা, মডেল’র সাথে কি প্রেম-টেম চলছে আপনার?

আরশাদ আদনান: অবশ্যই কেন নয়!

17

তির্থক: এজেন্সিগুলো যেভাবে টিভি নাটকের জায়গাটা দখল করে নিয়েছে এবং মানহীনতা ও পুনরাবৃত্তির রেকর্ড ছড়াচ্ছে, সেখানে আপনি একজন প্রযোজক হিসেবে লড়াইটা চালিয়ে যাবার সাহস পাচ্ছেন কিভাবে! টিভিতে জায়গাটাই বা পাচ্ছেন কিভাবে!

আরশাদ আদনান: শুধুমাত্র মান সম্মত প্রোডাকশন দিয়ে এবং আমি আপনাকে বলতে চাই একটি এজেন্সির নাটক আর ভার্সেটাইল মিডিয়ার প্রযোজিত নাটক পাশপাশি দেখেন, সেটা বুঝবেন।

তির্থক: সিনেমাতে হিরো হয়েছেন ইতিমধ্যে। একক হিরো হিসেবে কি দেখবো?

আরশাদ আদনান: জ্বি, খুব শীঘ্রই।

16

তির্থক: সিনেমার মন্দা বাজারে শাকিব খানকে নিয়ে কি ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিবেন আগামীতে?

আরশাদ আদনান: দেখেন কোন খান/টান দিয়েই সিনেমা হিট হবে না, যদি না ভাল গল্প এবং নির্মাণ না থাকে। শিকারী গত বছরের হিট সিনেমা। এটা কিন্তু শুধুমাত্র গল্প এবং নির্মাণের জন্য। অভিনয়টাও একটা বিষয়। সিনেমার নায়ক বদলে দিয়ে অভিনয় জানা অন্য কাউকে নিলেও সিনেমাটা ভাল ব্যবসা করতো। কারণ গল্প এবং নির্মাণ ভাল ছিল।

তির্থক: টিভি নাটকের ভবিষ্যত কি দেখছেন!

আরশাদ আদনান: আমি কোন স্বপ্ন দেখি না। আমি বাস্তবতায় বিশ্বাসী। আমাদের ইন্ডাষ্ট্রি ধ্বংস হবে এবং হবেই। কোন কিছুই ধ্বংস না হলে নতুন করে তৈরি হয় না। আমরা আবার গোড়ায় ফিরে যাবো। আমরা আবার মঞ্চে ফিরে যাবো, আবার পথনাট্যে ফিরে যাবো, আবার রকে বসে আমরা নাটক বানাবো। টেলিভিশন নাটক পুরোপুরি ধ্বংস না হলে, নতুন করে সৃষ্টি হবে না। এই জায়গায় বসে স্বপ্ন দেখার কোন মানে হয় না। টেলিভিশন নাটক হচ্ছে তাসের ঘর।

blog comments powered by Disqus