ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়

June 13, 2018, 8:25 p.m. সমগ্র বাংলা


ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়।  ঈদযাত্রী ও যানবাহন পারাপার নিশ্চিত করতে ওই নৌরুটে বাড়ানো হয়েছে ফেরির সংখ্যা। যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা ও মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। 

অসীম শিকদার, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট।  ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়।  ঈদযাত্রী ও যানবাহন পারাপার নিশ্চিত করতে ওই নৌরুটে বাড়ানো হয়েছে ফেরির সংখ্যা। যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা ও মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। মহাসড়কের মানিকগঞ্জ জেলার ৩৫ কিলোমিটার অংশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছে ৫ শতাধিক পুলিশ। পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন না থাকলেও সকাল থেকেই ঈদযাত্রীর চাপ বাড়ছে বলে জানান ফেরিঘাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন  জানান, প্রতিদিন সাধারণত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা হয়ে ছোট-বড় মিলে প্রায় আড়াই হাজার যানবাহন নৌরুট পার হয়। তবে ঈদের সময়ে নৌরুটে পাড়ের সংখ্যা হয় এর দুই বা তিনগুন। যে কারণে বাড়তি যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগেই থাকে। বুধবার  ভোর থেকেই দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলগামী যানবাহনের বাড়তি চাপ রয়েছে বলে জানান তিনি। সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় শতাধিক যাত্রীবাহী বাস নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে। যাত্রীবাহী বাসের চাপ বেশি থাকলে বন্ধ রাখা হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলে মোট ১৯টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে বড় ফেরির সংখ্যা আটটি, মাঝারি তিনটি, ছোট সাতটি ও মাঝারি ধরনের একটি ফেরি রয়েছে বলেও জানান সালাউদ্দিন হোসেন।

এদিকে ফেরি সার্ভিসের বাইরে শুধু যাত্রী পারাপারের জন্য এখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ছোট ছোট ৩৩টি লঞ্চ।
বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা শাখার এজিএম, জিল্লুর রহমান জানান, ৩৩টি লঞ্চ পাটুরিয়া দৌলতদিয়া এবং আরিচা কাজির হাট সমন্বয়ে চলছে। আমাদের এখানে যে কয়েকটি লঞ্চ আছে সেগুলোতে মেরিন আইননুসারে যা যা থাকা দরকার সবই আছে। 
     
অপরদিকে যানজট নিরসনে ঘাট থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত চালু করা হয়েছে ওয়ানওয়ে পদ্ধতি। পাশাপাশি আরও বেশকিছু ব্যবস্থা নিয়েছে, জেলা প্রশাসন। 

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুছ সাদাত সেলিম বলেন, এবছর আমারা প্রস্তুতি ভালোভাবে নিয়েছি। আমরা যে পদক্ষেপ নিয়েছি সেসব যদি ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি তাহলে আমরা যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দিতে পারবো।