তরূণ প্রজন্মকে গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সৎ ও মেধাবী প্রার্থীদের জয়ী করতে সক্রিয় হতে হবেঃ এডভোকেট রায়হান কাওসার

Sept. 1, 2018, 6:47 p.m. সমগ্র বাংলা


যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে পারলেই আমাদের নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে এবং যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ভুলে গেলে চলবে না রাজনীতির উদ্দেশ্যই হচ্ছে...

রাজশাহী প্রতিনিধি:
এলাকা আমাদের, সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি আমরাই করব আমাদের এলাকার উন্নয়ন- এই মুলমন্ত্র (রাজশাহী-৫) দুর্গাপুর-পুঠিয়ার সকল স্তরের জনগণের কাছে পৌছে দিচ্ছেন দূর্গাপুরের মেধাবী তরূন এডভোকেট রায়হান কাওসার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ও ঢাকা বারের তরূণ আইনজীবী এ্যাডভোকেট রায়হান কাওসার রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি-হাড়িয়াপাড়া গ্রামে আব্দুর রশিদ এবং হাসিনা বেগম এর ঘরে জন্ম নেন। শৈশব থেকেই নিজ এলাকায় দায়িত্বশীল, পরিশ্রমী এবং মেধাবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০০৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দুর্গাপুর উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হন। পরবর্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় হাজার হাজার মেধাবীদের মধ্যে গ্রামের ছেলে রায়হান ১৬ তম স্থান অর্জন করে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফল ভাবে আইন এ স্নাতক এবং স্নাতকত্তর শেষ করেন রায়হান এবং সহপাঠীদের কাছে সুবক্তা ও সম্ভাবনাময় ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা জজ কোর্টের স্বনামধন্য একজন আইনজীবী। 

একান্ত আলাপচারিতায় তিনি বলেন "যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে পারলেই আমাদের নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে এবং যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ভুলে গেলে চলবে না রাজনীতির উদ্দেশ্যই হচ্ছে ভাল কাজের জন্য একতাবদ্ধ হওয়া এবং যে কোন স্থানীয় বা জাতীয় সমস্যাগুলি সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করা। একটি নির্বাচনে জয়ী না হলেই যে একজন রাজনীতিবীদ ব্যর্থ সেটি বলা যাবে না। তার সফলতা নির্ধারিত হবে তার ক্ষমতা অনুযায়ী কতটুকু সমাজের কল্যাণ করতে পেরেছেন তার উপর, কতবার নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন- সেটি দিয়ে নয়।
এছাড়াও সরকারিভাবে বরাদ্দ অর্থের সঠিক ব্যাবহার এবং এলাকার সরকারি সম্পত্তির রক্ষনাবেক্ষণ সঠিকভাবে করতে হবে আমাদেরকেই। মনে রাখতে হবে উন্নয়ন আমাদের অধিকার। সরকারের পাশাপাশি এ অধিকার  নিশ্চত করতে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে আমাদেরকে।"

তরুণ প্রজন্মকে পাশে পেতে স্বতন্ত্রভাবে সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন এই তরুণ নেতা। তিনি দলমত ভেদাভেদ ভুলে সামগ্রীক উন্নয়ন বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন । এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন প্রবীণরা একসময় রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন এবং তরূণরাই আগামী দিনে রাজনীতির সেই শূন্যস্থান পূরণ করবে। সুতরাং তরুণদের সেই সক্ষমতা তৈরী করতে হবে এখন থেকেই। আমরা সবাই বাংলাদেশী, সবাই ভাই ভাই। সুতরাং আমাদের উচিত হবে নিজেদের মধ্যে কলহ-দ্বন্দে না জড়ানো। আমাদের সহিংস রাজনীতি পরিহার করতে হবে। সহিংস রাজনীতি ধ্বংস ছাড়া কিছু দেয় না। সহিংস রাজনীতির মাধ্যমে আমরা নিজেদেরই সম্পদ নষ্ট করি এবং সামান্য কিছু আর্থিক লাভ বা অন্যায় সুবিধা লাভের জন্য আমরা নিজেদের মধ্য হানাহানি বা কলহে লিপ্ত হয়ে যাই। ফলে দেশ বা এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলি আমরা সময়মত সম্পন্ন করতে পারিনা। যার দরূন আমাদের অর্থনৈতিক কাজ-কর্মগুলি বাধাগ্রস্ত হয় এবং আমরা গরীব থাকি। অন্যান্য রাষ্ট্র গুলি আমদের এই দুর্বলতার সুযোগ নেয়। এছড়াও সহিংস রাজনীতি অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নেয় বা তাদের সুন্দর জীবনে এনে দেয় পংগুত্ব। হয়তো বা এই লোকগুলোই ছিল তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ভাল কাজের জন্য আওয়ামী লীগ আর বিএনপি নয়, সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তর্কের জন্য তর্ক বা ভাল কাজেও অহেতুক বিপক্ষ মতামত অবলম্বন করা পরিহার করতে হবে।

সদা হাস্বোজ্জল এই তরুণের দর্শন এবং চিন্তাধারা সুশীলতার প্রতীক বলে মনে করেন এলাকার আপামর জনসাধারণ। সামাজিক কলহ অহিংস রাজনীতি এবং একাত্ববোধের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে বলে মনে করেন এডভোকেট রায়হান কাওসার।