মানিকগঞ্জে ঢাকা- আরিচা মহাসড়ক ও পাটুরিয়া ঘাট নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

June 11, 2018, 8:42 p.m. সমগ্র বাংলা


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় পাটুরিয়া ফেরি ঘাট ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ৫ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও ঘাট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশরা কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম।

অসীম শিকদার, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: 

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় পাটুরিয়া ফেরি ঘাট ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ৫ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও ঘাট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশরা কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম।

সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, আসন্ন ঈদে অপরাধ দমনে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ডাকা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে পাটুরিয়া ফেরি ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ-র‌্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর ৫ শতাধিক সদস্য নিয়োজিত থাকবে। মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে নসিমন-করিমন,ভটভটি, ইজিবাইক, মাহিন্দ্র এবং রাতের বেলায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি-লঞ্চ ব্যতিত পণ্যবাহী জাহাজ, বালুবাহী বাল্কহেড, মাছ ধরার নৌকা ইত্যাদি চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া, ঈদের আগে-পরে ৬দিন পাটুরিয়া রুটে ফেরিতে পন্যবাহী ট্রাক-লড়ি পারাপার বন্ধ রাখা হবে। তবে, জরুরী ও অত্যাবশ্যকীয় ট্রাকগুলো এর আওতার বাইরে থাকবে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া ও গোলড়া নামকস্থানে ট্রাকগুলোকে আটকে দেয়া হবে, সম্ভব হলে সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেয়ারও চেষ্টা করা হবে। এছাড়াও টাঙ্গাইল-ঘিওর সড়কে আসা ট্রাকগুলোও মহাসড়কে ঢুকতে পারবেনা।মলম-অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ দমনে পাটুরিয়া ঘাট এলাকাকে সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রন আনা হয়েছে। পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে যানবাহনে যাতে বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য পর্যাপ্ত ট্রাফিক মোতায়েন থাকবে। এছাড়া প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসগুলোকে টেপড়া এলাকা থেকে ৫ নম্বর ফেরি ঘাট দিয়ে প্রবেশ করানো হবে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহম্মেদ, বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঈদে ঘরমুখী মানুষের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারুপ করা হয়।

পুলিশ সুপার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, পুলিশ জনগনের বন্ধু। জনগনের নিরাপত্তায় আমাদের কাজ করতে হবে। কারোও সাথে দুর্ব্যবহার করা চলবে না। এ রুটে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে। যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘœ করতে সহায়তা দিতে হবে। তবেই সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি আরোও উজ্জল হবে।